Jia Rou tem um segredo: de tempos em tempos, precisa provar o sangue do terceiro príncipe. Yan Jia Rou vive no palácio há muito tempo, mas não é de família real. Seu pai morreu salvando a concubina no
প্রারম্ভিক গ্রীষ্মকাল ছিল, সন্ধ্যার পর থেকেই অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হচ্ছিল। যদিও জানালার একটি কাঁচ রাখা ছিল, তবুও রাতের হাওয়া এসে ঘরের গরম ও অস্থিরতা দূর করতে পারছিল না। এমন আবহাওয়ায় বাতাস যেন ঘনীভূত হয়ে যায়, মনকে অমীমাংসিত উত্তাপে ভরিয়ে তোলে।
টেবিলের উপর সোনালী ব্রোঞ্জের রূপকৃত প্রাণী থেকে ধোঁয়ার সরু রেখা ধীরে ধীরে উঠছিল, পলিপটের পর্দা মৃদুভাবে ঝুলছিল, এবং বিছানায় একটি মেয়ের অস্পষ্ট ছায়া দেখা যাচ্ছিল।
গ্রীষ্মের রাতের উত্তাপে সে শুধু একটি আধা উন্মুক্ত স্তনের নকশাযুক্ত পাতলা সুতোর পোশাক পরেছিল, যা তার স্নিগ্ধ সাদা ত্বককে মোড়ানো ছিল। ছোটবেলা থেকে আদর করে বড় করা হয়েছিল তাকে; ত্বকটা যেন দুধের মতো মসৃণ ও সাদা, কোনো দাগ ছাড়াই।
অর্ধস্বচ্ছ পোশাকের নিচে তার সুনিপুণ গড়নের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্পষ্ট ছিল, কোমরটি অতিসংকীর্ণ, যা হাত দিয়ে ঘিরে ধরে রাখা যায়।
সম্ভবত অগ্নিগর্ভ গরমে অস্বস্তি অনুভব করে সে নিজের পাতলা কম্বলটি পাশের দিকে ঠেলে দিয়েছে, সুতোর নিচে তার একটি পায়ের গোড়ালি উন্মুক্ত ছিল, সরল ও ক্ষুদ্র, চকচকে সাদা, পায়ের আঙুলগুলো স্নিগ্ধ ও ছোট, তবে পায়ের পিঠ একটু টানটান ছিল, যেন খুবই অস্বস্তিতে আছে।
তার ভ্রু কুঁচকে উঠেছিল, চোখ বন্ধ ছিল, চোখের ঢেউকপালে লালচে রঙের ছোঁয়া, ঘন ঘন চোখের পাতা কম্পমান, মুখে একটু অস্বাভাবিক লালচে ভাব।
সাদা মসৃণ কপালে ঘন ঘন হালকা ঘাম জমে গিয়েছিল, সুগন্ধি ধোঁয়া মৃদু মৃদু ওঠছিল, তার ঘন কালো চুল বিছানার উপর ছড়িয়ে ছিল, লাল ঠোঁট অল্প খোলা, মাঝে মাঝে ফিসফিস করে কিছু শব্দ বের হচ্ছিল, কোমল ও মধুর।
হঠাৎ সে যেন কোনো সংকেত পেয়ে চোখ ঝটপট খুলে ফেলে, কিন্তু তার দৃষ্টি ম্লান, চোখের ভেতর জল জমে আছে, মনে হচ্ছিল সে এখনও পুরোপুরি সচেতন নয়।
তবুও তার মুখের রূপরেখা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল।
কন্যাটি মাত্র চৌদ্দ-